Ads

Desk

প্রতি মিনিটে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, মন্ত্রীদের ভাষ্য নিয়ন্ত্রণে!

দেশের ৬৪টি জেলাতেই ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। বিস্তারিত…

প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশের পরই সব দুধ খাটি!

  • Aug 1, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ। এখানে যে সব কিছুই সম্ভব সেটা আবারও প্রমাণ করলেন সরকারের অনুগত বিচারপতিরা বিস্তারিত…

ডিঙে মেয়রের ডেঙ্গু বচন!

  • Aug 1, 2019

ডেঙ্গু নিয়ে গত কিছুদিন নানা রকমের কথা বলেছেন। ‘দায়িত্ব’ নিয়ে ‘আতঙ্কিত’ বিস্তারিত…

জঙ্গি না সন্ত্রাসী, কার হাতে একে-২২ রাইফেল!

  • Jul 31, 2019

রাজধানীতে গত এক মাসে দুটি একে ২২ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। অত্যাধুনিক এই আগ্নেয়াস্ত্র এতদিন জঙ্গিরা ব্যবহার করে বলেই জানা যেত। এমনকি হলি আর্টিজানে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের হাতে ছিল এই রাইফেল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের মুখে চাপের মধ্যে থাকা জঙ্গিদের এই মুহূর্তে এই ধরনের দামি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

তাহলে সন্ত্রাসীরা কেন এই ভারী অস্ত্র সংগ্রহ করছে? সন্ত্রাসীরা তো এতদিন ক্ষুদ্রাস্ত্র ব্যবহার করেছে। কেনই-বা তাদের ভারী অস্ত্রের দরকার পড়ল? কী কাজে তারা ব্যবহার করবে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র। কোথা থেকেই-বা আসছে এই অস্ত্র? এসব প্রশ্নের কূল-কিনারা করতে পারছেন দায়িত্বশীলরা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মাহবুব আলম বলেন, ‘খিলগাঁও থেকে আমরা যে একে ২২ রাইফেল, রিভলবার ও পিস্তল উদ্ধার করেছি, সেটা একেবারেই সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহার করার জন্যই আনা হয়েছিল। আমরা যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছি তারা পেশাদার সন্ত্রাসী। এদের সঙ্গে জঙ্গিদের কোনো সম্পর্ক নেই। এরা একটা কিলিং মিশনে ব্যবহার করা জন্য এই অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল। অস্ত্রগুলো এরা যার কাছ থেকে কিনেছে সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাকে পাওয়া গেলে অস্ত্রের উত্স জানা যাবে।’

জঙ্গিদের কাছে পাওয়া একে ২২ রাইফেল ও এই একে ২২ রাইফেল কি একই ধরনের—জানতে চাইলে মাহবুব আলম বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি, এগুলো একই ধরনের অস্ত্র।’

গত ৩০ জুন রাজধানীর ওয়ারীর ওয়ান্ডারল্যান্ডের সামনে থেকে একটি অত্যাধুনিক একে ২২ রাইফেল উদ্ধার করে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ। ঐ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। তারা অস্ত্রের বাহক মাত্র। সম্প্রতি শ্যামপুর এলাকা থেকে একসঙ্গে ছয়টি অত্যাধুনিক ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা কেউ অস্ত্রের মালিক নয়। তারা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছে। মিরপুর থেকে তারা অস্ত্রগুলো যার নির্দেশে শ্যামপুর নিয়েছিল এবং যার কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিল, পুলিশ তাদের শনাক্তের পর গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

অস্ত্র উদ্ধারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন কর্মকর্তা জানান, ওয়ারীতে একে ২২ রাইফেল উদ্ধারের ঘটনায় বাবুল ও সাদেক নামে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, গত ছয় মাসে আরো তিনটি একে ২২ অটোম্যাটিক রাইফেল হাত বদল হয়েছে। কাদের মাধ্যমে কীভাবে সেটা হয়েছে তারা বলতে পারেনি।

এর আগে গত মার্চ মাসে একটি ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে রামপুরায় অভিযান চালানো হয়। ঐ অভিযানে হাফিজ ও মামুনুর রশিদ নামে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী—বাংলাদেশ (হুজিবি) এর দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ একটি অত্যাধুনিক একে ২২ রাইফেল, পাইপগান ও গুলি উদ্ধার করে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৬ সালে হলি আর্টিজান বেকারিতে যে একে ২২ রাইফেল ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা, পুরান ঢাকা ও খিলগাঁও থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র একই। এছাড়া ওই বছরের ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানাতেও অভিযানের পর পুলিশ কর্মকর্তারা জানতে পারেন, একটি একে ২২ অটোম্যাটিক রাইফেল নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল এক জঙ্গি। যদিও সেই অস্ত্রটি পরে আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

একে ২২ অটোম্যাটিক রাইফেলগুলো প্রায় একই ধরনের। এই রাইফেল থেকে ব্যবহারকারী চাইলে একটি গুলি করতে পারেন। আবার তিনি চাইলে একসঙ্গে ৩০ রাউন্ড গুলিও বের হয়। ডাকাতি বা চাঁদাবাজির কাজে সাধারণ অপরাধীদের এসব অস্ত্র ব্যবহার করার কথা নয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একে ২২ রাইফেলগুলো সাধারণত পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর হাতেও এসব অস্ত্র হরহামেশাই দেখা যায়। সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া অস্ত্রে উত্স খুঁজতে গিয়ে এমন তথ্যই মিলছে।

খিলগাঁও থেকে একে ২২ রাইফেল উদ্ধারের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া তিন সন্ত্রাসী পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, টেন্ডার নিয়ে বিরোধের কারণে দক্ষিণ যুবলীগের এক শীর্ষ নেতাকে হত্যার মিশনে এই অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল তারা। এই ধরনের মিশনে সাধারণত ক্ষুদ্রাস্ত্র ব্যবহার হয়, তাহলে এত ভারী অস্ত্র কেন? গ্রেফতার সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মনে করছেন, মূলত হাতবদলের সময় সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রগুলো ধরা পড়েছে। ভাড়াটে খুনে ব্যবহার কিংবা আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুরহাটের দখল ও চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহারের জন্য অস্ত্রগুলোর আনা হতে পারে। তবে এর পেছনে কারা জড়িত সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর উত্স ও গন্তব্য নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সূত্র: ইত্তেফাক

‘দেশে এখন নমরুদের শাসন চলছে!’

  • Jul 31, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

পৃথিবীর ইতিহাসে নমরুদ ছিল এক মহাপ্রতাপশালী জালেম-অত্যাচারী বাদশাহ। বিস্তারিত…

সাঈদীকে নিয়ে আবার নতুন ষড়যন্ত্র!

  • Jul 29, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কারাবন্দী আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ বিস্তারিত…

ডেঙ্গু গুজব: মানুষগুলো কি হাসপাতালে পিকনিক করতে এসেছে?

  • Jul 28, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। জ্বর হলেই হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করলে ধরা পড়ছে ডেঙ্গু। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এখন আর তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ভর্তি ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী। বিস্তারিত…

ডেঙ্গুজ্বর কেন আতঙ্কের?

  • Jul 26, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ছেলেধরা আতঙ্ক ও গুজবের সাথে সাথে ডেঙ্গুজ্বরে কাঁপছে দেশ। অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় ডেঙ্গুর ভয়াবহতার মাত্রা ও ভিন্নতা এবছর বেড়েছে। তা স্বত্বেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার বদলে “আতঙ্কের কিছু নেই নেই” বলে এই ভয়াবহতাকে অবহেলা করে পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে সিটি করপোরেশন ও সরকারের বিভিন্ন কর্তাব্যক্তি। পাশাপাশি জনগণের ডেঙ্গুর ব্যাপারে সচেতনতার অভাব তো আছেই। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচীর অভাব। নিম্নমানের মশানাশকে মরছে না মশা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভিড় বাড়ছেই, সবমিলিয়ে এক দিশেহারা পরিস্থিতিতে জনগন।

ডেঙ্গুজ্বরের কারণ:
এডিস (Aedes aegypti) মশার কামড়ের মাধ্যমে ডেঙ্গুজ্বর ছড়ায়। এই একই মশা চিকুনগুনিয়া, জিকা, মায়ারো এবং হলুদ জ্বরের ভাইরাস ছড়ানোর জন্যও দায়ী। ডেঙ্গুজ্বরের রোগীর রক্তে ডেঙ্গু ভাইরাস থাকে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানোর সময় ডেঙ্গু ভাইরাসগুলো মশার শরীরে প্রবেশ করে। এর এক থেকে দুই সপ্তাহ পরে ওই জীবাণুগুলো সংক্রমণ উপযোগী হয়। তখন থেকে ওই মশা অন্য সুস্থ মানুষকে কামড়ালে এই জীবাণুগুলো ওই সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং ডেঙ্গুজ্বর হয়।

সাধারণত যেকোনো এক প্রকারের ডেঙ্গু ভাইরাস দিয়ে কারো একবার ডেঙ্গু জ্বর হলে সেই প্রকারের ভাইরাস দিয়ে তার আর ডেঙ্গু জ্বর হয় না। কিন্তু অন্য বাকি ৩ প্রকারের ডেঙ্গু ভাইরাসের যেকোনো প্রকারের ভাইরাস দিয়ে দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থবার সংক্রমণ হতে পারে।

ডেঙ্গুজ্বর সংক্রমনের সময়কাল:
সাধারণত বর্ষাকাল এবং বর্ষার পরপরই ডেঙ্গু জ্বর বেশি হয়। জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবছর দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে।

এডিস মশা কখন কামড়ায়?
এডিস মশা ‘ভদ্র মশা’ হিসেবে পরিচিত এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতেও বাস করে এবং ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে।

ডেঙ্গু জ্বরের প্রকার:
ডেঙ্গু ভাইরাস চার রকমের ডেন -১ থেকে ডেন -৪। (DENV -1 to DENV -4) এগুলো থেকে তিন ক্যাটেগরির সংক্রমন হয়ে থাকে

১ম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির।
তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই।

২য় ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

সাধারণত ডেঙ্গুজ্বরের লক্ষণ:

  • হঠাৎ ১০২-১০৪ ডিগ্রি জ্বর সাথে মাথাব্যথা
  • চোখে ব্যথা বা আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা হওয়া
  • শরীরের চামড়ায় লালচে ছোপ বা র‌্যাশ ওঠা
  • পেটে ব্যথা, বমিভাব, বমি হওয়া ও খাওয়ার অরূচি হওয়া

অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো।

ডেঙ্গুর নতুন লক্ষণ:
এ বছর ডেঙ্গু জ্বর ভিন্নমাত্রা ও উপসর্গ নিয়ে দেখা দিচ্ছে।

  • সচরাচর টানা পাঁচ–ছয় দিন জ্বর থাকে। কিন্তু এবার অপেক্ষাকৃত কম সময় ধরে জ্বরের পরই হঠাৎ ক্রিটিক্যাল ফেজে মোড় নিচ্ছে।
  • র‌্যাশ বা গায়ে ব্যথার পরিবর্তে কাশি, পাতলা পায়খানা, বমির মতো নতুন ধরনের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।
  • দ্রুত এসজিপিটি ও ক্রিয়েটিনিন বাড়তে থাকা, কারও কারও লাইপেজ বেড়ে যাওয়া।
  • মাল্টি অর্গান ফেইলিউর বা বিভিন্ন অঙ্গে আঘাত হানা (যেমন কিডনি ফেইলিউর, যকৃতের সমস্যা, মায়োকার্ডাইটিস), বুক ও পেটে পানি জমার মতো জটিলতা।
  • অনেকের ডেঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও রক্তে ডেঙ্গু অ্যান্টিজেন নেগেটিভ থেকে যাচ্ছে। যাতে ডেঙ্গু নির্ণয়ও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

এ ধরনের নতুন বিশেষত্ব নিয়ে দেখা দিচ্ছে ডেঙ্গু। তৃতীয় বা চতুর্থবারের মতো আক্রান্ত হওয়ার কারণেই তীব্রতার এ মাত্রা। তাই এ সময় জ্বর হলেই দ্রুত সতর্ক হওয়া এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো।

মৃত্যুর কারণ যে ডেঙ্গু:
৩য় ক্যাটাগরির ডেন -২ ভাইরাসজনিত হেমোরেজিক ডেঙ্গুজ্বর খুবই বিপজ্জনক। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ’র প্রয়োজন হতে পারে। এ ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণে হেমোরেজিক ফিভার হয়। তাছাড়া একবার ডেঙ্গু হবার পর দ্বিতীয়বার হলে হেমোরেজিক ফিভার হবার আশংকা বেড়ে যায়। ডেঙ্গু হেমোরেজিকে রক্তনালির অন্তর্গাত্রে ছোট ছোট ছিদ্র হয় একে মাইক্রোলিকেজ বলে। সাধারণত ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর শুরুর তিন থেকে ছয় দিনের মাথায় এমনটি হয়ে থাকে।

এ সময় রক্তে ভাইরাসের পরিমাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছায়। ভাইরাসের আক্রমণে রক্ত কোষগুলো থেকে বিভিন্ন রকমের ইনফ্লামেটরি মেডিয়েটর নিঃসৃত হয় এবং এই মেডিয়েটরগুলোর প্রভাবেই রক্তনালির দেয়ালে ছিদ্র বা মাইক্রোলিকেজ সৃষ্টি হয়। এই মাইক্রোলিকেজ দিয়ে রক্তনালী থেকে রক্ত বের হতে থাকে। এতে লালা চোখ নাক মুখ প্রস্রাব ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া শুরু হয়। অনেক সময় দেহের ভেতরে রক্তক্ষরণ হতে থাকে যা বাইরে থেকে দেখা যায় না।ফলে হাইপোভলিউমিয়া, নিম্ন রক্তচাপ ও রক্তশুন্যতা দেখা দেয়। এ থেকে রোগী শকে চলে যায় এ অবস্থাকে বলে ‘ডেঙ্গু শক সিনড্রোম’এতে রোগি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে করণীয়:

  • দীর্ঘমেয়াদে না করলেও অন্তত এই সময়ে মশা তাড়ানোর ঔষধ, কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করুন
  •  দিনে বা রাতে যেকোনো সময় ঘুমাতে মশারি ব্যবহার করুন
  • ফুলের টব, এসি, ফ্রিজের নিচের, অথবা যেকোনো আবদ্ধ পানি পরিস্কার করুন
  • পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ার, নারকেলের মালা বা ডাবের খোসা ইত্যাদি যেন যেখানে সেখানে পড়ে না থাকে সেটা খেয়াল রাখুন।
  • ঘরের আনাচে কানাচে অন্ধকার জায়গায় নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় মশানাশক/কীটনাশক ঔষধ বা
    স্প্রে ব্যবহার করুন।
  • দিনের বেলা মশার কামড় থেকে বাঁচতে ফুলহাতা জামা, প্যান্ট বা পায়জামা পরিধান করুন

ডেঙ্গুজর প্রতিকার ও চিকিৎসা:
ডেঙ্গু জ্বরের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। সাবধানতা অবলম্বন করলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর নিজে থেকে ভালো হয়ে যায়। এছাড়াও যা করবেন-

  • স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি রোগীকে প্রচুর তরল খাবার যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন খাওয়ানো।
  • রোগীকে সবসময় মশারির ভেতর বিশ্রামে রাখা। যাতে তার থেকে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু না ছড়ায়।
  • জ্বরে প্রয়োজনে শুধুমাত্র প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে।
  • অ্যাসপিরিন/NSAID বা কোনো ব্যথানাশক ঔষধ সেবন না করা।
  • গিটে ব্যথার ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানির সেঁক বা হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে।

প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

তথ্য সূত্র:
অধ্যাপক ডা: মো: শহীদুল্লাহ্
অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ

ড. সানিয়া তাহমিনা
ডা. মো. সাঈদ এনাম, সাইকিয়াট্রিস্ট

ছেলেধরা গুজব: মন্ত্রী বললেন বিএনপি-জামায়াত, গ্রেফতার হল যুবলীগ নেতা!

  • Jul 26, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করতে পদ্মা নদীতে রক্ত ও শিশুদের মাথা লাগবে বিস্তারিত…

শেখ হাসিনা কি প্রিয়া সাহার কাছে নতি স্বীকার করল!

  • Jul 25, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিগত ১১ বছরের শাসনামলে সরকারের অন্যায় অপকর্মের সমালোচনা বিস্তারিত…

ছেলেধরার আড়ালে শেয়ারবাজার লুটে নিলেন শেখ হাসিনা!

  • Jul 24, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

আবারও লুট হয়ে গেল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার হিসেবে খ্যাত শেয়ারবাজার। কথিত ছেলেধরার আড়ালে বিস্তারিত…

গোয়েন্দা দিয়ে সারাদেশে ছেলেধরা গুজব ছড়াচ্ছে সরকার!

  • Jul 23, 2019

কথিত ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে নিরপরাধ নারী-পুরুষদেরকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যার এক অমানবিক কর্মকাণ্ড বিস্তারিত…