Ads

Desk

জামায়াত ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র কি সফল হবে?

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রে এখন জামায়াতে বিস্তারিত…

বিজিবির এ কেমন আত্মরক্ষা!

  • Feb 14, 2019

হাসান রূহী

আমাদের সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ গুলি চালিয়ে সাধারণত বিস্তারিত…

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা, রায় কি বিএনপির পক্ষে আসবে?

  • Feb 14, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের বিস্তারিত…

ইসলামী সংস্কৃতি ও আধুনিক সংস্কৃতি

  • Feb 13, 2019

এইচ এম মাহবুবুর রহমান

মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো সংস্কৃতি। সংস্কৃতি মানুষের জীবনকে করে তোলে সুন্দর, সুচারু, পরিশীলিত ও পরিমার্জিত। আর এই সংস্কৃতি যদি হয় সুস্থ ও সবল ধারার, তবে তার জীবনটা হবে সফল। সুস্থ ধারার সংস্কৃতির উৎস হলো ইসলাম। আর এর মূলে রয়েছে কুরআন ও সুন্নাহ। ইসলামী সংস্কৃতি ছাড়া অন্য কোন সংস্কৃতি সুস্থ ধারার সংস্কৃতি নয়। ইসলামী সংস্কৃতি হচ্ছে একটি মানবতাবাদী সংস্কৃতি। অন্যদিকে আধুনিক সংস্কৃতির মূলে রয়েছে ধর্মহীনতা, বেহায়াপনা ও উলঙ্গপনা, এতে নেই কোন মানবিকতা, নৈতিকতা ও শালীনতা।

সংস্কৃতির পরিচয়

“সংস্কৃতি” শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষার শব্দ। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো “কালচার ” যার অর্থ কর্ষণ করা। আর আরবী প্রতিশব্দ হলো “আস সাকাফাহ।” সাকাফাহ শব্দের অর্থ উপলব্ধি করা, জানা ও প্রশিক্ষণ পাওয়া। পরিশীলিত, প্রশিক্ষিত, মার্জিত ও রুচিশীল ব্যক্তিকে বলা হয় ‘‘মুসাক্কাফ’’ বা সংস্কৃতিবান। আর সংস্কৃতি শব্দটি গঠিত হয়েছে “সংস্কার” শব্দ থেকে । যার অর্থ শুদ্ধি, পরিমার্জন, মেরামত, ভূল সংশোধন। সুতরাং সংস্কৃতি অর্থ হলো সংস্করণ, বিশুদ্ধকরণ, অনুশীলনলব্ধ দেহ, মন ও আত্মার উৎকর্ষ সাধন।

পরিভাষায় : বিশ্বাসলব্ধ মূল্যবোধে উদ্ভাসিত, পরিশীলিত ও পরিমার্জিত মন-মানসিকতাকেই সংস্কৃতি বলা হয়।

সমাজ বিজ্ঞানীদের ভাষায় সংস্কৃতি হলো : জ্ঞান, বিশ্বাস, শিল্পকলা, নিয়ম-নীতি, সংস্কার ও অন্যান্য দক্ষতা যা মানুষ সমাজের সদস্য হিসেবে অর্জন করে। অর্থাৎ সংস্কৃতি হলো মানুষের আচরণের সমষ্টি।

ইসলামী সংস্কৃতি

ইসলামী সংস্কৃতি হলো ইসলামের মূলনীতির উপর ভিত্তি করে মানুষ তার আচার-ব্যবহার, দেহ, মন ও আত্মাকে যেভাবে সংস্কার ও সংশোধন করে, তাই ইসলামী সংস্কৃতি। ড. সালেহ হিন্দি ইসলামী সংস্কৃতির সংজ্ঞায় বলেন, এ হলো এমন এক জীবন পদ্ধতি যা মুসলমানগণ প্রতিনিয়ত প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী দৃষ্টি ভঙ্গি ও জীবনাদর্শের আলোকে অবলম্বন করছে । চাই তা সামাজিক জীবনের বৈষয়িক ক্ষেত্রেই হোক কিংবা সভ্যতা নামে পরিচিত আত্মিক চিন্তার ক্ষেত্রে হোক।

ইসলামী সংস্কৃতির ভিত্তি

ইসলামী সংস্কৃতির ভিত্তি হলো কুরআন ও সুন্নাহ। সুতরাং কুরআন-সুন্নাহ বহির্ভূত কোন সংস্কৃতিকে ইসলামী সংস্কৃতি বলা যাবে না। ইসলামী সংস্কৃতি কোন ভাবেই কুরআন-সুন্নাহ বহির্ভূত সংস্কৃতি গ্রহণ করেনা।

ইসলামী সংস্কৃতি কুরআন-সুন্নাহ বর্ণিত উৎসব ব্যতিত অন্য কোন উৎসব গ্রহণ করেনা। যেমন মুসলমানদের

উৎসব মাত্র দু’টি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।

ইসলামী সংস্কৃতি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী এক থাকে কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়না।

ইসলামী সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য

ইসলামী সংস্কৃতি মহান আল্লাহর তাওহীদ ভিত্তিক সংস্কৃতি অর্থাৎ যে সংস্কৃতিতে আল্লাহর সাথে র্শিকের কোন ছোঁয়া থাকবেনা।

ইসলামী সংস্কৃতির মূলনীতি ও মূল্যবোধ বিশুদ্ধ, যথার্থ, মহান ও সার্বজনীন। অর্থাৎ এটি এমন এক সংস্কৃতি যার মূলনীতি এতই বিশুদ্ধ যাতে সন্দেহ সংশয়ের কোন অবকাশ নেই। আর এটি এমন একটি সার্বজনীন সংস্কৃতি যা কোন দেশ, জাতি, ভাষা, বর্ণে সীমাবদ্ধ নয়।

এই সংস্কৃতি সকল প্রকার ত্রুটি থেকে মুক্ত এবং বিবেক ও জ্ঞানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

ইসলামী সংস্কৃতি একটি মানবতাবাদী সংস্কৃতি। এতে রয়েছে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা। মহান আল্লাহর বাণী “নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ, যে তোমাদের মধ্যে খোদাভীরু” (সূরা হুজরাত : ১৩)

রাসূল (সা.) বলেন, মানব চরিত্রের পূর্ণতা বিধানের জন্যই আমি প্রেরিত হয়েছি ।

ইসলামী সংস্কৃতি একজন মুসলমানকে আনুগত্যশীল করে তোলে। সে আরো বেশি রাসূল (সা.) এর সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী তার জীবন পরিচালনা করতে তৎপর হয়।

এটি এমন এক সংস্কৃতি যাতে রয়েছে মানুষের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ। হাদীসে বর্ণিত আছে,

হজরত সাহল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থানের (জিহবার) এবং দুই রানের মধ্যবর্তী স্থানের (লজ্জাস্থানের) জিম্মাদার হবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হবো। (সহীহ বুখারী : ২১০৯)

ইসলামী সংস্কৃতি নৈতিকতা সমৃদ্ধ এবং মানুষের ধর্ম কর্মের সমন্বয়ক।

আধুনিক সংস্কৃতি

আধুনিক সংস্কৃতি বলতে মূলত পশ্চিমা সংস্কৃতিকেই বুঝায়। যাতে কোন ধর্মের ছোঁয়া নেই, নেই কোন নৈতিকতা, মানবিকতা ও শালীনতা। এতে আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর নির্দেশ পালন করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এটি একটি উলঙ্গপনা (Free sex) সংস্কৃতি।

আধুনিক সংস্কৃতির ভিত্তি

আধুনিক সংস্কৃতির ভিত্তি হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ খৃষ্টবাদ, ইহুদিবাদ, পুঁজিবাদ ও অন্যান্য পার্থিব মতবাদ। যার মূল উদ্দেশ্য হলো ধর্মহীনতা। এই সংস্কৃতির মূল কথা হচ্ছে পাশ্চাত্য সভ্যতাকে নির্বিচারে গ্রহণ করা এবং যারা এর বিপরীতে দাঁড়ায় তাদেরকে অসভ্য ও পশ্চাতপদ গণ্য করা।

আধুনিক সংস্কৃতির কতগুলো দিক

১. বাঙালি সংস্কৃতি ২. হিন্দি সংস্কৃতি ৩. প্রাচ্য সংস্কৃতি ৪. পাশ্চাত্য সংস্কৃতি।

আধুনিক সংস্কৃতির ক্ষুদ্র রূপায়ন

ক. স্যাটেলাইট সংস্কৃতি খ. সিনেমা বা চলচিত্র সংস্কৃতি। গ. অশ্লীল পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিন সংস্কৃতি।

ঘ. সুন্দরী প্রতিযোগিতা ও মডেলিং সংস্কৃতি। ঙ. পার্লার সংস্কৃতি।

চ. দিবস পালন/উৎসব সংস্কৃতি। ছ. অগিড়ব সংস্কৃতি। জ. গায়ে হলুদ সংস্কৃতি।

ঝ. পহেলা বৈশাখ সংস্কৃতি।

আধুনিক সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য

১. আধুনিক সংস্কৃতি মূলত একটি ধর্মহীন সংস্কৃতি । যা মানুষের ধর্মীয় চেতনাকে নষ্ট করে দেয়। ফলশ্রুতিতে সে তার ধর্ম থেকে দূরে সরে যায় এবং এটি মুসলমানদেরকে আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূল (সা.) এর অনুসরণ থেকে বিমুখ করে।

২. আধুনিক সংস্কৃতির মধ্যে জীবনের দৃশ্যমান ও আনুভূতিক শিল্পময় প্রকাশ লক্ষ করা যায়। আর এতে লাগামহীন জীবন যাপনের উলঙ্গতাকে নানাভাবে বর্ণময় করার চেষ্টা দেখা যায়।

৩. আধুনিক সংস্কৃতি বিভিন্ন উৎসব সাদরে গ্রহণ করে নেয়, ইসলামে যার কোন ভিত্তি নেই। যেমন- শবে বরাত, থার্টি ফাস্ট নাইট, ভ্যালেন্টাইন ডে, এপ্রিল ফুল, বিবাহ বার্ষিকী, জন্ম দিন, গায়ে হলুদ উৎসব, মহররম উৎসব ইত্যাদি।

৪. আধুনিক সংস্কৃতি বংশানুক্রমে অতিবাহিত হতে থাকে। যদিও এর মধ্যে কুফরী কোন সংস্কৃতি থাকে তবুও

বংশানুক্রমে তার ধারা বজায় থাকে।

৫. আধুনিক সংস্কৃতি একটি প্রতিযোগিতা মূলক সংস্কৃতি। যার কারণে এর ধারা বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তন হয় এবং এটি বিশ্বে আলোচিত অনেক কিছু সাদরে আপন করে নেয়।

৬. আধুনিক সংস্কৃতি মুসলমানদের ঈমানী চেতনাকে নষ্ট করে দেয়। যার কারণে সে আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর আনুগত্য থেকে দূরে সরে যায়। আর অন্য দিকে ইসলামী সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে কেবল আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর উপর নিঃশংসয়ভাবে বিশ্বাসী মুমিনদের জীবন যাপনকে কেন্দ্র করে। যেখানে অবিশ্বাসী হওয়ার বা কুরআন- হাদীস অনুসৃত জীবন যাপনের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। অন্য জাতির সংস্কৃতি গ্রহণ করার ভয়াবহতা সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন,“যে ব্যক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্য ধারণ করলো সে তাদেরই দলভুক্ত হলো।” (সুনানে আবু দাউদ :৪০৩১)

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য হাদীসে রাসূল (সা.) বলেন, তিন প্রকারের লোক আল্লাহর কাছে সর্বাধিক ঘৃণিত, ১. হারাম শরীফের পবিত্রতা বিনষ্টকারী, ২. ইসলামে বিজাতীয় রীতি-নীতির (সংস্কৃতির) প্রচলন কারী, ৩. কোন মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যার প্রচেষ্টাকারী। (বুখারি)

উপরোক্ত আলোচনা থেকে প্রতিয়মান হয় যে, বর্তমান সময়ে আমরা যে সংস্কৃতিকে আমাদের প্রকৃত সংস্কৃতি বলে মনে করি অর্থাৎ ইসলামী সংস্কৃতি বলে মনে করি তা আসলে ইসলাম তথা কুরআন-সুন্নাহ স্বীকৃত সংস্কৃতি নয়। এর অর্থ হলো আমরা মুসলিম জাতি বিশ্বে আজ যে সংস্কৃতিতে নিজেদের আপন করে নিয়েছি , তা হয়তো খ্রিস্টিয় সংস্কৃতি অথবা ইউরোপিয় ও আমেরিকান সংস্কৃতি তথা মানুষের মনগড়া মতাদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতি। আবার বিভিন্ন জনপদে এই সংস্কৃতি পালন করে পূর্বপুরুষদের সংস্কৃতি বলে। অন্যদিকে কেউ কেউ এই সংস্কৃতি পালন করে আলট্রা মডার্ণ (অত্যাধুনিক) হওয়ার জন্য। রাসূল (সা.) এর জীবন পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে, আল্লাহর রাসূল (সা.) যখন মক্কার কুরাইশদেরকে কালিমার দাওয়াত দিয়েছিল তখন তারাও বলেছিল আমরা কি আমাদের পূর্ব-পুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করে তোমার এই নতুন ধর্ম গ্রহণ করবো? অথচ আমরা অনেকদিন থেকেই এই ধর্ম পালন করে আসছি। সুতরাং পূর্ব-পুরুষদের সংস্কৃতিকে নিজেদের জন্য বৈধ সংস্কৃতি রূপে গ্রহণ করার কোন অবকাশ ইসলামে নেই।

আজ বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমানগণ যে সংস্কৃতি লালন করছে তা ইসলাম স্বীকৃত সংস্কৃতি নয়। এ দেশের সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছে ইউরোপিয়ান সংস্কৃতি, ভারতীয় সংস্কৃতি ও আমরিকান সংস্কৃতি, যেগুলো হলো অসুস্থ ধারার সংস্কৃতি। ইসলামী সংস্কৃতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে চূড়ান্ত সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করা। আর এই সফলতা আসবে বর্তমান জীবনে মানুষের নির্ভুল আচরণের মাধ্যমে। এই সংস্কৃতি এমন একটি নির্ভুল সমাজ কায়েম করতে চায়, যা হবে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সমাজ। এর জন্য প্রয়োজন উত্তম চরিত্র ও সৎগুণ।

তাই আসুন আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের যে সংস্কৃতি গ্রহণ করা প্রয়োজন তাই আমরা লালন করবো। আর সেই সংস্কৃতি হলো ইসলামী সংস্কৃতি । তাহলে আমাদের সমাজ থেকে অন্যায়-অশ্লীলতা দূর হবে এবং সমাজে আমরা সুন্দর ও সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারবো। আল্লাহ আমাদেরকে এই ধরনের সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার তাওফীক দান করুন। আমীন !

যে দেশে মানুষের চেয়ে কুকুরের মূল্য বেশি!

  • Feb 12, 2019

– হাসান রূহী

৪৮ ঘন্টা নয়, দীর্ঘ সাত বছর পার হলেও বিচার তো দূরের কথা হত্যার রহস্যই উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, ওয়ালী উল্লাহ, আল মুকাদ্দাস, আমান আযমী, ব্যারিস্টার আরমান এভাবে নাম বললে ৪২৯ জন জ্বলজ্যান্ত মানুষের নাম বলা যাবে। ক্রসফায়ারের নামে স্রেফ গুলি করে খুন করা হয়েছে এমন অন্তত ১৩০০ মানুষের বিশাল তালিকা দেয়া যাবে। কিন্তু তাতে কি ওসব মানবাধিকারের কথা ছাড়ুন। চলুন কুকুরাধিকার নিয়ে একটু চর্চা করি।

কুকুরকে মুক্তভাবে চলাফেরার সুযোগ না দিয়ে একটানা সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁধে রাখলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। এজন্য ছয় মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৮’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে আমাদের ভোটডাকাত মন্ত্রিসভা।

প্রাণিদের জন্য কল্যাণ করতে পারা অনেক ভালো খবর। কিন্তু দূর্ভাগ্য আমাদের মত মানুষগুলোর। আমরা যদি ওই প্রাণিকূলের কাতারেও শামিল হতে পারতাম! হোক না সে তুচ্ছ কিংবা নিকৃষ্ট প্রাণি কুকুর!

কুকুর ২৪ ঘন্টা বেঁধে রাখলে জেল জরিমানা হবে। এজন্য প্রাণিকল্যাণ আইন হচ্ছে। এসব নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে পেঙ্গুইন বেশধারী মন্ত্রীদের। মানবকল্যাণ নিয়ে ভাবার ফুরসত কোথায় তাদের? শুধু কুকুর নয়, রাষ্ট্রের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকেরা কোন ব্যক্তিকে আটকের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করার আইন রয়েছে। কিন্তু তাতে কি! পুলিশ, র‌্যাব কিংবা অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা কি সে আইনের তোয়াক্কা করছে? ২৪ ঘন্টার বেশি কোন মানুষকে আটক রাখলে আটককারীর কি শাস্তি হবে তা আমার জানা নেই। কিন্তু গতকাল ‘প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৮’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন হওয়ার খবর পড়ার পর থেকে বার বার মনে হচ্ছে- হায়! যদি মানুষের জন্যও এমন একটি আইন থাকতো!

২৪ ঘন্টা নয়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই মেধাবী শিক্ষার্থী ওয়ালী উল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের গুম হওয়ার দীর্ঘ ৮ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। ২০১১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ায় ফেরার পথে সাভারে নবীনগর থেকে তাদের তুলে নিয়েছিল র‌্যাব। কিন্তু তারপর তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে কেউ জানে না। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে এভাবে শত শত পরিবারে আহাজারির পরিবেশ সৃষ্টি করা হলেও এসব থেকে মুক্তি পেতে ‘প্রাণিকল্যাণ আইন’ এর মত ‘মানবকল্যাণ আইন’ এর কোন অস্তিত্ব নেই। যদি কোন আইন থেকেও থাকে অথবা ভবিষ্যতে প্রণীতও হয়, তবুও তা মানবতা ও মানবাধিকার রক্ষায় কতটুকু ভূমিকা রাখবে তা খুবই স্পষ্ট।

এসব তো গেল বিরোধী মতের কথা। একদলীয় বাকশালের দেশে কিসের বিরোধী দল? সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস আসে কোথা থেকে? ওদেরকে নাহয় এভাবেই দমিয়ে দিলেন। কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে হাজারে হাজারে লাল দালানে পুরে দিলেন। কিন্তু দলের লোকদের কি অবস্থা এখন? গতকাল দৈনিক প্রথম আলোতে অর্ণব সান্যালের ‘রক্ত যখন জেলি হয়ে যায়…’ শিরোনামে লেখা একটি কলামে চোখ আটকে গেল। সেই কলামের সাথে একটি ছবি জুড়ে দেয়া ছিল। যেখানে দেখা যায় ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন ২০১৬ সালে খুন হওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মা জাহেদা আমিন চৌধুরী।

২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর তাঁর ছেলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। প্রথম ময়নাতদন্তে বলা হয়েছিল, দিয়াজ আত্মহত্যা করেছেন। আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ওই বছরের ২৪ নভেম্বর জাহেদা আমিন বাদী হয়ে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর টিপু, সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন।

কিন্তু দু’বছর ধরে পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্নভাবে সরকার বাহাদুরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও খুনীরা ধরা পড়েনি। শাস্তিও হয়নি। উপরন্তু পুরস্কৃত হয়েছে খুনী! ছেলের হত্যার বিচার দাবিতে এর আগে অনেক দিন প্রতিবাদ করেছিলেন জাহেদা, অনশনে ছিলেন। তাতে কারোরই কিছু যায়-আসেনি। এবার পুত্রের খুনীদের চোখের সামনে দিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। তাতেও খুনীরা পুলিশের দৃষ্টিসীমার মধ্যে আসেনি।

এর অবশ্য এক অদ্ভূত ব্যাখ্যাও দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিশেষ বুদ্ধিমান(!) পুলিশ সুপার নাজমুল করিম খান বলেছেন, ‘যাঁরা এ মামলার আসামি তাঁরা ক্ষমতার খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। সে কারণে খুব সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ভুল করলে পার পাওয়া যাবে না। প্রমাণগুলো সঠিকভাবে না থাকলে সেখানে হাত দিতে পারব না। ভাসা ভাসা জেনে ক্ষমতাধর কাউকে ধরে আনাটা বুদ্ধির কাজ হবে না।’

দেশের প্রতিটি প্রান্তে দিয়াজের মায়ের মতই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মাথা ঠুকছে মানবাধিকার। রোনাজারি করছে মানবতা। কিন্তু তাতে কি! আপাতত চলুন কুকুরাধিকার রক্ষায় প্রস্তাবিত ‘প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৮’ কে স্বাগত জানিয়ে পাড়ায় মহল্লায় প্রাণিকূলের মাতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিছিল, শোভাযাত্রা, সিম্পেজিয়াম, সেমিনারের আয়োজন করি। মানুষের জন্য, মানবতার জন্য, মানবাধিকারের জন্য এত ভাবার সময় কোথায় বলুন?

কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়-
“আমি-যে দেখেছি প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধে
বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে”

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন শেখ হাসিনার হাতে!

  • Feb 12, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের আজ ৭ বছর পূর্ণ হলো বিস্তারিত…

বুলবুলের নারী কেলেঙ্কারি: ভাট্টি-মুন্নী সাহারা চুপ কেন?

  • Feb 11, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

নারীকর্মীদের ওপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় একুশে টেলিভিশনের বিস্তারিত…

আ. লীগের উন্নয়ন বনাম নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ

  • Feb 10, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট যখন ক্ষমতায় আসে, তার আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় ছিল। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের তেমন উল্লেখযোগ্য কোন নেতাকর্মীর উপর নির্যাতন চালিয়েছিল মর্মে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে, সেসময় দেশের কয়েকটি স্থানে সংখ্যালঘু তথা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর হামলা হয়েছিল। পরবর্তীতে অবশ্য জানা গিয়েছিল যে, এইসব ঘটনার অধিকাংশই ছিল বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং অনেকক্ষেত্রে ব্যক্তিগত রেষারেষির বিষয়কেও সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হয়েছিল।

ঘটনা যাই ঘটুক না কেন, একথা স্বীকার করতেই হবে, সেসময়ে সেই সামান্য কয়েকটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাকে আওয়ামী লীগ বেশ ফুলে ফাপিয়ে প্রচার করতে সক্ষম হয়েছিল। দেশতো বটেই এমনকি বিদেশী অনেক সংস্থাও বিশ্বাস করেছিল যে, চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে। বিএনপির সাথে ইসলামিক দল জামায়াতের জোট হওয়ায় এবং জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা সরকারের মন্ত্রী হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল মোটামুটি বিশ্বাস করেছিল যে ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল থেকেই হিন্দু নির্যাতনের মত ঘটনাগুলোকে মদদ দেয়া হয়েছে। শাহরিয়ার কবিরের মত আওয়ামী দালালেরা সেই সময় নানা ধরনের শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্টারী নির্মাণ করে এসব ঘটনাকে বিশ্বের দরবারে নেতিবাচকভাবে হাইলাইটও করেছিল।

দুর্ভাগ্য বিএনপির, দুর্ভাগ্য জামায়াতের আর দুর্ভাগ্য দেশবাসীরও। আওয়ামী লীগ বিতর্কিত নির্বাচন করে টানা তৃতীয়বারের মত ক্ষমতায় এসে যখন বর্বরতা আর পৈশাচিকতার জঘন্য নজির স্থাপন করে যাচ্ছে তখনও সেই সব সত্য ঘটনাগুলোকে সর্বমহলে বিরোধী দল তুলে ধরতে পারছেনা।

আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা চোখে রঙ্গিন চশমা পড়ে ঘুরছেন। তারা দেশকে উন্নত দেশ বলে ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন। একজন মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ নাকি এখন লস এ্যাঞ্জেলেস হয়ে গেছে। অন্যদিকে আরেকমন্ত্রী এক ডিগ্রী এগিয়ে বলেছেন, কয়েক বছর পর নাকি আমেরিকা থেকেই লোকজন শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করতে আসবে। আল্লাহ এই সব দালাল ও দলকানা লোকদেরকে হেদায়েত নসীব করুন। এর চেয়ে বেশী কিছু আর বলারও নাই।

কিন্তু বাস্তবিকপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থা এখন ভয়াবহ। অন্যসব সংকটের কথা বাদ দিয়ে গেলেও এবারের বিতর্কিত নির্বাচনে নোংরাভাবে বিজয় হাইজ্যাক করার পর সরকার ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষকলীগসহ আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে নারী নির্যাতন ও ধর্ষনের উৎসব শুরু করেছে, তাতে আওয়ামী লীগের কি হবে জানিনা, তবে আমাদেরই মাথা লজ্জ্বায় হেট হয়ে যায়। নির্বাচনের পর থেকে আজ অবধি সারা দেশে নারী-শিশু ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে আজ নারী ও শিশুর ইজ্জত-আবরুর কোন নিরাপত্তা নেই। 

নির্বাচনের পরের দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে একটি গ্রামে একজন গৃহবধুকে তার স্বামীর সামনেই গন ধর্ষন করা হয়। তার অপরাধ ছিল তিনি বিরোধী দল তথা ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রদান করেছেন। এর ঠিক এক মাস পর গত ১লা ফেব্রুয়ারী রাতে সেই একই এলাকায় অর্থাৎ সুবর্ণচরের পূর্বচরবাটা ইউনিয়নে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দেশে নারী-শিশু-কিশোরী অবাধে ধর্ষিতা হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্বৃত্তরা নারী-শিশু-কিশোরীকে ধর্ষণ করছে।

তদন্তে দেখা যায় সরকারী দলের লম্পট দুর্বৃত্তরা প্রশাসনের ছত্র ছায়ায় অবাধে ধর্ষণ ও হত্যার মত নৃশংস ঘটনা একের পর এক ঘটিয়ে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও না দেখার ভান করছে। ফলে ধর্ষকরা আরো উৎসাহিত হচ্ছে। তারা ধর্ষিতাদের অভিভাবকদের মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং নাজেহাল করছে। ফলে নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণ ও নির্যাতন মহামারী আকার ধারণ করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা গিয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ সরকারী দলের ধর্ষণকারীদের সাহায্য-সহযোগিতা করছে এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আমলে না নিয়ে ধামা-চাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, গত ২০১৮ সালে যৌন সহিংসতায় সারা দেশে ৪২ জন নারী ও শিশু নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ২৮৪ জন। গত জানুয়ারী মাসের ৩৩ দিনে ৪১টি ধর্ষণ ও ধর্ষণ অপচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ২৯ জনই শিশু ও কিশোরী। বাস্তবে দেশে নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণের যে সব ঘটনা ঘটছে তার সামান্য অংশই মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। বেশীর ভাগ ঘটনাই অজানা থেকে যাচ্ছে।

নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণকারী দুর্বৃত্তদের বিচার না হওয়ার কারণেই নারী, শিশু-কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই যাচ্ছে। এ সব বন্ধ করতে হলে ধর্ষণকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। আওয়ামী যেসব ক্যাডাররা এসব অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়েছে তাদের প্রত্যেককে প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে হবে। পুলিশ ও প্রশাসনের যে কর্মকর্তারা এসব অপরাধের ব্যপারে নির্বিকার ভুমিকা পালন করছে, মদদ দিচ্ছে তাদেরকেও চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ইসলামপন্থী দল ও ব্যক্তিবর্গদের হেয় করা বন্ধ করতে হবে। ইসলামী দলগুলোকে অবাধে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। ওয়াজ ও ধর্মীয় আলোচনাগুলোর প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্মীয় ও নৈতিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে এগুলো অধ্যায়ন বাধ্যতামুলক করতে হবে। কেননা এটাই দিবালোকের মত সত্য, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা ও মোটিভেশন ছাড়া এই ধরনের জঘন্য অপকর্মকে কোনভাবেই রোধ করা যাবেনা। আর যদি ধর্ষণ আর নারী নির্যাতন এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে আওয়ামী লীগের তথাকথিত উন্নয়নের চাঁপাবাজি করে জনগনকে নিয়ন্ত্রনে রাখাও সম্ভব হবেনা।

সেই আফজালের সঙ্গে দুদকের গোপন সম্পর্ক!

  • Feb 9, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

স্বাস্থখাতের কুমির হিসেবে পরিচিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ বিস্তারিত…

দুদক নিয়ে অ্যানালাইসিস বিডির সংবাদে টনক নড়ল আদালতের

  • Feb 8, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

প্রাইমারি শিক্ষকদের নিয়ে দুদকের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বিস্তারিত…

ইনু-মেননকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় সরকার

  • Feb 8, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিগত ৫ বছর শাসনামলে শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বিস্তারিত…

৪৩ বছরে পা দিল শিবির

  • Feb 6, 2019

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

স্বাধীনতার ৬ বছর পর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর চড়াই উৎরাইয়ের বিস্তারিত…