Ads

Desk

আলোচনায় ১০০ আসন: সমঝোতায় না আসায় কারাগারে খালেদা?

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কথিত দুর্নীতির মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বিস্তারিত…

এবার ২০ দলীয় জোট ভাঙার মিশনে জার্মান রাষ্ট্রদূত!

  • Feb 23, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

১৯৯৯ সালের ৩০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল বিএনপি-জামায়াত বিস্তারিত…

মওদুদ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন?

  • Feb 22, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে আবারো আলোচনার বিস্তারিত…

বাংলায় মুসলিম শাসকরাই বাংলা ভাষা চর্চার পথ উন্মুক্ত করেন

  • Feb 22, 2018

শেখ নজরুল

ভারতীয় উপমহাদেশে বাংলা ভাষা চর্চার ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাংলায় মূলত মুসলিম শাসকরাই বাংলা ভাষা চর্চার পথ উন্মুক্ত করেন। হিন্দু শাসকরা সংস্কৃতকেই তাদের নিজেদের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন সবসময়। পাশাপাশি বাংলা ভাষার উচ্ছেদ-সাধনের সকল প্রচেষ্টাও হিন্দু শাসকরা চালিয়েছেন।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, পাল রাজাদের পতনের সঙ্গে সঙ্গেই আর্য হিন্দুরা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রায় দুইশত বৎসর ধরে বাংলাদেশ তাদের শাসনাধীন ছিল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেও কি বাংলা ভাষার প্রতি তারা কোনোরূপ দরদ দেখিয়েছে? -মোটেই না। এ সম্পর্কে বহুভাষাবিদ পণ্ডিত ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেনঃ

“আমরা হিন্দু-কালের কোনো বাঙ্গালা সাহিত্য পাই নাই। হিন্দু সেনরাজগণ সংস্কৃতের উৎসাহদাতা ছিল ৷ ব্রাহ্মণেতর ধর্মের সহিত সংশ্লিষ্ট বলিয়াই সম্ভবতঃ তাহারা বাংলা ভাষার প্রতি বিদ্বিষ্ট ছিল।” [বাঙ্গালা ব্যাকরণ]

কোনোরূপ সাহায্য করা তো দূরে থাক, বাংলা ভাষার উচ্ছেদ-সাধনের জন্যই তারা প্রয়াস পেয়েছিল। সুপণ্ডিত ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক ঠিকই বলেছেনঃ

“বাংলার শেষ হিন্দু রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন ৷ তাঁহার সভায় ধোয়ী, উমাপতি ধর প্রভৃতি কবি এবং হলায়ুধ মিশ্র প্রভৃতি পণ্ডিত ছিলেন। কিন্তু নানা পণ্ডিত ও কবির সমাবেশে তাহার রাজধানীতে যে সংস্কৃত ভাষা চর্চার ও পাণ্ডিত্য প্রকাশের সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়িয়া উঠে, তাহা জয়দেবের গীত-গোবিন্দের মাধ্যমে সমগ্র উত্তর ভারতে প্রভাব বিস্তার করিলেও বাংলা ভাষা চর্চার কোনো আয়োজন তথায় ছিল না।”

আরও একটি মূল্যবান মন্তব্যও তিনি করেছেনঃ

“১২০৩ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কীবীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী লক্ষণ সেনকে লক্ষণাবতী হইতে বিতাড়িত করিয়া বাংলায় সংস্কৃত চর্চার মূলে কুঠারাঘাত হানিয়া বাংলা চর্চার পথ উন্মুক্ত করেন।” [মুসলিম বাংলা-সাহিত্য]

বস্তুতঃ মুহম্মদ বিন বখতিয়ারের হাতে বঙ্গ বিজয় বাংলা ভাষার পক্ষে এক মহামুক্তির দিন । মুসলমানদের দ্বারা বঙ্গ-বিজয় না হইলে আর্যদের হাতে যে বাংলাভাষা লোপ পাইত অথবা শুদ্ধিকৃত হইয়া ভিন্নরূপ ধারণ করিত, তাহাতে কোনই সন্দেহ নাই। সেন রাজাদিগের অল্প পরিসর সময় রেখার মধ্যেই আর্য ব্রাহ্মণগণ আইন করিয়া বাংলা ভাষার উৎখাত সাধনের প্রয়াস পাইয়াছিলেন। তাঁহারা এই নির্দেশ দিয়াছিলেন যে, যদি কোনো আর্য হিন্দু বেদ, পুরাণ, রামায়ন, মহাভারত ইত্যাদি ধর্মশাস্ত্রসমূহ কোনো মানব ভাষায় (অর্থাৎ বাংলা ভাষায়) আলোচনা করে, তবে তাহাকে ‘রৌরব’ নামক নরকদণ্ড ভোগ করিতে হইবে।

“অষ্টাদশ পুরাণানি রামস্য চারিতানি চ।

ভাষায়ং মানবঃ শ্রত্বা রৌরবং নরকং ব্ৰজেৎ।”

ইহাই সংস্কৃতের সহিত বাংলা ভাষার প্রথম সংঘাতের ফল।

তথ্যসূত্রঃ
সুকুমার সেন, বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস, ৪৬ পৃষ্ঠা।

নাজিরুল ইসলাম মোহাম্মদ সুফিয়ান, বাঙ্গালা সাহিত্যের নূতন ইতিহাস, ৪৬-৫০ পৃষ্ঠা।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস-মাহবুবুল আলম, পৃষ্টা৩৩।

‘বিচারক খালেদার বক্তব্য ইচ্ছাকৃত বিকৃত করেছেন’

  • Feb 21, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্য বিস্তারিত…

পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করল যুবলীগ নেতা শরীফ

  • Feb 21, 2018

নোয়াখালীতে পুলিশ পরিচয়ে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ বিস্তারিত…

বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা বাংলা

  • Feb 21, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সারা বিশ্বের মুসলিমদের মাতৃভাষার বিবেচনায় আরবি ভাষার পরেই বাংলা বিস্তারিত…

ছাত্রলীগের সন্ত্রাস চলছেই…

  • Feb 21, 2018

মুসাফির রাফি

এই কলামটি লেখার পেছনে দৈনিক প্রথম আলোর একটা রিপোর্ট এবং রিপোর্টটার বিস্তারিত…

বিএনপি অবশেষে বুঝলো জামায়াত নেতারা যুদ্ধাপরাধী ছিলেন না!

  • Feb 21, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

২০১০ সালের ২৯ জুন কথিত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল বিস্তারিত…

খালেদার বক্তব্য বিকৃত করে রায় দিয়েছেন আখতারুজ্জামান!

  • Feb 20, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি বিস্তারিত…

আবু জাহেলরা এই যুগেও আছে!

  • Feb 20, 2018

হাসান রূহী

পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার বারআনি গ্রামে একটি তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মাহফিলের প্রধান অতিথি মাওলানা আজিজুল হককে বেদম প্রহার করেছে ধুলাউড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ধুলাউড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জরিফ আহমেদ মাস্টার, সেক্রেটারি রঞ্জু ফকিরসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের মত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে মারপিট করে কেন আহত করা হলো এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যপক তোলপাড় হলেও সরকারের কর্তা-ব্যক্তিদের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রশ্ন হলো, প্রধান অতিথি হিসেবে দাওয়াত পেয়ে আসা সম্মানিত সেই বক্তা এমন কি বলেছিলেন যে মাহফিলে উপস্থিত শত শত মানুষের সামনে তাকে এভাবে হেনস্তা করা হলো? সামাজিক মাধ্যমে আসা প্রত্যক্ষদর্শীর খবর ও পত্রিকায় আসা তথ্য মতে, মাওলানা আজিজুল হক জিহাদী যখন আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন- ‘রাসুল (সাঃ) এবং সাহাবী রাদিয়াল্লহু আনহুমা যখন কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখন আবু জেহেলের গায়ে আগুন লেগে যেতো, তেমনিভাবে আজোও আবু জেহেলের অনুসারীরা কুরআনের আলোচনা বরদাশত করতে পারেনা।’। এসময় বক্তব্য চলাকালিন সময়েই আওয়ামী নেতা জারিফ মাস্টার তাকে জিজ্ঞাসা করেন-‘এখানেও আবু জাহেল আছে কিনা?’ বক্তব্যকে বাধা দিয়ে প্রশ্ন করলেও স্বাভাবিকভাবেই বক্তা বলেন- ‘থাকতেও পারে।’ একথা শোনার সাথে সাথেই বক্তার মাইক কেড়ে নিয়ে তাকে উপস্থিত শ্রোতাদের সামনেই দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে ওই আওয়ামী নেতা। এসময় পরিকল্পিতভাবে মঞ্চের লাইটও নিভিয়ে দেয়া হয় বলে খবরে প্রকাশ।

কুরআন শুনতে আবু জেহেল ও তার দলবল বাধা দিত এটি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত সত্য ঘটনা। এবং এটাও সত্য যে, যে যুগে আবু জেহেল ছিল সে যুগে আবু বকরের মত জান্নাতি মানুষও ছিল। এবং একইভাবে এই সমাজে উভয় শ্রেণির মানুষই আছে। এটিও নতুন কোন বিষয় নয়। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে মাওলানা সাহেবের অপরাধটা কোথায়? কেন তাকে এভাবে নির্মমভাবে মাহফিলের মঞ্চেই পেটানো হলো? বক্তার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে প্রশ্ন করাটাও আদৌ কোন ধরণের ভদ্রতার মধ্যে পড়ে কিনা?

এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য মহাবীর হযরত আমির হামযা (রা:) এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা সংক্ষেপে উল্লেখ করা খুবই প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছি। হামযা বিন আব্দুল মুত্তালিব রসূল (স:) এর আপন চাচা। কিন্তু আপন চাচা হলেও তখনও তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি। একদিন রসূলে আকরাম (স:) কাবার চত্ত্বরে মানুষকে সতর্ক করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তাদেরকে দুনিয়ার জীবন ও এর শেষ পরিণতি সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি জানাচ্ছিলেন। এসময় দূর থেকে দেখে আবু জেহেল তার দলবল নিয়ে রাসুলে আকরাম (স:) এর নিকট আগমন করল। এবং উপর্যুপরি নোংরা কথা-বার্তা বলে তাকে অপমান করতে লাগল। তার অশ্রাব্য গালিগালাজের প্রত্যুত্তরে নবী (স:) ওহীর বাণীগুলোই বলতে লাগলেন। কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, এসময় ক্রদ্ধ হয়ে আবু জেহেল রসূল (স:) কে আঘাত করে। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাসূলে আকরাম (স:) বাড়িতে ফিরলেন। এসময় তার চাচা হামযা শিকারের কাজে মক্কার বাইরে ছিলেন। শিকার থেকে ফিরতেই তার কাছে এ সংবাদ যায়। সংবাদ পেয়ে তিনি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে আবু জেহেলের নিকট পৌঁছলেন। কাবা ঘরের সামনে তাকে পেয়ে সক্রোধে ধনুক দিয়ে তার মাথায় আঘাত করতে লাগলেন এবং হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন, ‘পাষণ্ড! আর তুই মুহাম্মাদের উপর অত্যাচার করবি? আচ্ছা, আমিও মুহাম্মাদের ধর্ম গ্রহণ করেছি, কি করবি কর।’ অতঃপর হামজা চলে এলেন মহানবীর কাছে। ইসলাম গ্রহণ করলেন সেদিনই।

দ্বীনের আলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গিয়ে রাসূলে আকরাম (স:) যে ভাবে বাধা-প্রতিবন্ধকতা ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন, এ যুগেও তার আনীত জীবন বিধান ইসলামের সুমহান শিক্ষা মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে গিয়ে নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন অনেকেই। সে যুগে যেমন আবু জেহেল, ওতবা, শায়বা, ওয়ালিদরা কুরআন শুনতে মানুষকে বাধা দিত, এ যুগের ওতবা, শায়বা আর আবু জেহেলরাও কুরআনের মাহফিল শুনতে মানুষকে বাধা দেয়। কুরআনের মাহফিলে ১৪৪ ধারা জারি করে। আলেমদের ওপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালায়। কিন্তু আছে কি কোন হামযা? যে এসব নির্যাতনকারীদের রুখে দাঁড়াবে? হাতের ধনুক দিয়ে জালিমের মাথায় আঘাত করে বলবে- ‘আমিও ইসলামে শামিল হলাম, কি করবি কর।’

প্রধানমন্ত্রীর অযাচিত বক্তব্যের সমালোচনা সর্বত্র

  • Feb 20, 2018

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁস নতুন বিস্তারিত…